খোলা স্থানে সভা-সমাবেশ বন্ধ

করোনার বিস্তার রোধে ১১টি বিধিনিষেধ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে এই বিধিনিষেধ কার্যকর হবে।সোমবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।এই বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে, দোকানপাট ও গণপরিবহনে মাস্ক বাধ্যতামূলকভাবে পরতে হবে। রেস্টুরেন্টে করোনার সনদ দেখাতে হবে। উন্মুক্ত স্থানে সামাজিক, ধর্মীও ও রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ বন্ধ রাখতে হবে।বিস্তারিত আসছে…

আরও পড়ুন=জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা- দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সোমবার (১০ জানুয়ারি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘মুক্ত স্বদেশে জাতির পিতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে (ভার্চ্যুয়াল) এ কথা বলেন তিনি।

রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) শহীদ মনিরুল আলম মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের এটাই আজকে লক্ষ্য, যে স্বপ্ন নিয়ে তিনি (বঙ্গবন্ধু) বাংলাদেশ স্বাধীন করেছেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো, বাংলাদেশকে ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত করে সোনার বাংলা গড়ে তোলা, আজকের দিনে সেই প্রত্যয়ই ব্যক্ত করছি।বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ে বলেন, ইনশাল্লাহ যতটুকু পারি জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশের দুঃখী মানুষ তাদের ভাগ্যটা পরিবর্তন করে দিয়ে যাওয়া। দেশবাসীকে আমি সেই আহ্বানই জানাই। আজকে যে অগ্রগতি হয়েছে এটা ধরে রেখেই যেন আমরা এগিয়ে যেতে পারি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটাই যে আদর্শের জন্য তিনি দেশ স্বাধীন করেছিলেন, যে লক্ষ্যে তিনি সারা জীবন সংগ্রাম করেছিলেন,

জেল-জুলুম-অত্যাচার বার বার সহ্য করেছেন, নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন যে মানুষগুলোর জন্য সেই মানুষগুলোর ভাগ্য গড়া আমাদের লক্ষ্য।পরপর তিনবার ক্ষমতায় থাকার সুযোগ দেওয়ায় জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই বাংলাদেশের জনগণের প্রতি, তারা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন, বার বার আমি ক্ষমতায় এসে দেশের মানুষের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। জনগণের প্রতি ভালোবাসার কারণেই বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরেই সোজা জনগণের কাছে ছুটে গিয়েছিলেন কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারো কথা না ভেবে তিনি চলে গেছেন সোজা তার প্রিয় জনগণের কাছে। যে জনগণের জন্য তিনি তার জীবনটা উৎসর্গ করেছেন।দেশে ফিরেই জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, এ ভাষণটা ছিল একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা। এ ভাষণটা ছিল স্বাধীন রাষ্ট্র কাঠামো কী রকম হবে,

স্বাধীন রাষ্ট্র কীভাবে চলবে, স্বাধীন রাষ্ট্রকে কীভাবে কোন আদর্শে চলবে সেই আদর্শই তিনি এ ভাষণে দিয়েছিলেন।বঙ্গবন্ধু কখনো মৃত্যুকে ভয় পেতেন না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে এটাও বলেছিলেন যখন তাকে ফাঁসি দেওয়ার নির্দেশ হয়, তখন একটি দাবি তিনি শুধু করেছিলেন যে আমাকে তোমরা মেরে ফেলতে পারো। কিন্তু আমার লাশটা আমার বাঙালির কাছে পৌঁছে দিও। আমার বাংলার মাটিতে পৌঁছে দিও। তিনি যেই প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন সেই ভাষণে যে আমি মুসলমান, মুসলমান একবার মরে, বারবার মরে না।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, এ আঘাতটা শুধু একজন রাষ্ট্রপতিকে হত্যা না। এ আঘাতটা ছিল একটা স্বাধীন দেশের আদর্শকে হত্যা করা, চেতনাকে হত্যা করা।

Check Also

দেড় মাস পর দেখা মিলল ডা. মুরাদ হাসানের, যা বললেন

দীর্ঘ দেড় মাস পর সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপির দেখা মিলল তার নির্বাচনী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *