ভারতে পালানোর সময় মিতু হ`ত্যা মামলার আসামি ভোলা গ্রেপ্তার

সাবেক পু`লিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হ`ত্যা মা`মলার আ`সামি এহতেশামুল হক ভোলাকে গ্রে`প্তার করেছে পু`লিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তাকে বেনাপোল থেকে গ্রে`প্তারের পর শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামে আনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মিতু হ`ত্যা মা`মলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা।

এর আগে, ১৪ অক্টোবর চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে মিতু হ`ত্যা মা`মলার আ`সামি এহতেশামুল হক ভোলা জামিন আবেদন শুনানিতে অংশ না নিয়ে সময়ের আবেদন করেছিলেন। ওইদিন শুনানির পর আদালত সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে ভোলার বি`রুদ্ধে গ্রে`প্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

পরোয়ানা জারির পর থেকেই আ`সামিকে গ্রে`প্তারের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা কাজ শুরু করে। চট্টগ্রাম ছেড়ে বেনাপোল যাওয়ার পর ভোলা গ্রেপ্তার হন। মূলত ভারতে পালানোর জন্যই বেনাপোল গিয়েছিল বলে তথ্য পেয়েছে পিবিআই।এহতেশামুল হক ভোলার সময়ের আবেদন করার আগে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন পেয়েছিলেন।

উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন এবং ১৪ অক্টোবর শুনানির দিন ধার্য করেছিলেন। ধার্যকৃত তারিখে ভোলা আদালতে হাজির না হয়ে সময়ের আবেদন করেন। এ সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জোরালে বি`রোধিতা করার পর আদালত সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে গ্রে`প্তারের জন্য পরোয়ানা জারি করেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে জিইসির মোড় এলাকায় দু`র্বৃত্তদের ছু`রিকাঘাত ও গু`লিতে মা`রা যান মিতু। ওই ঘটনায় তৎকালীন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় একটি হ`ত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রায় পাঁচ বছর তদন্তের পর সেই মা`মলার চূ`ড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পিবিআই। একই দিন (১২ মে) নতুন করে একটি হ`ত্যা মা`মলা দায়ের করা হয়। সেই মা`মলায় বাবুল আ`ক্তারকে প্রধান আ`সামি করা হয়। নতুন এই মা`মলা করেন মিতু বাবা মোশাররফ হোসেন। ওই মামলায় গ্রে`প্তার হয়ে বাবুল আক্তার এখন ফেনী কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

Check Also

ব্যালট পেপার ছিনতাই, পুলিশের ফাঁকা গুলি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে চলমান ইউপি নির্বাচনে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *